মূল অংশে যান

শুরু করুন

ক্লায়েন্ট নাকি ফ্রিল্যান্সার: কোন বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট লাগবে?

একটি বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টেই হায়ার করা ও কাজ করা যায়। ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার দিকের পার্থক্য আর কীভাবে বদলাবেন জানুন।

হালনাগাদ 2 অক্টোবর, 20265 মিনিটে পড়া যায়4টি ধাপ

  • সবার জন্য
এই পেজে

আপনার একটি বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টই যথেষ্ট। একই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করা যায় (ক্লায়েন্ট দিক) আবার নিজের সার্ভিসও বিক্রি করা যায় (ফ্রিল্যান্সার দিক)। সাইন আপের সময় আমি কাজ করতে চাই বা আমি কাজ করাতে চাই যেটাই বাছেন, তাতে শুধু প্রথমে কোন হোম পেজ দেখবেন সেটা ঠিক হয়। যেকোনো সময় বদলাতে পারবেন।

শুরু করার আগে

ধাপগুলো

1ক্লায়েন্ট দিক বুঝুন

ক্লায়েন্ট হিসেবে আপনি:

  • গিগ কিনতে পারেন (নির্দিষ্ট প্যাকেজসহ তৈরি সার্ভিস)।
  • প্রজেক্ট পোস্ট করে প্রপোজাল নিতে পারেন।
  • কাস্টম অফার পাঠাতে, মাইলস্টোন ফান্ড করতে আর কাজ অনুমোদন দিতে পারেন।
  • কনসালটেশন বুক করতে আর ম্যানেজড প্রজেক্টের অনুরোধ করতে পারেন।
  • নিজে অথবা যে কোম্পানিতে আছেন সেই কোম্পানি হিসেবে হায়ার করতে পারেন।

ক্লায়েন্টদের আইডি যাচাই লাগে না, ক্রেডিটও লাগে না। শুধু যে কাজ অর্ডার করবেন তার দাম দেবেন, আপনার অ্যাকাউন্টের মুদ্রায়।

2ফ্রিল্যান্সার দিক বুঝুন

ফ্রিল্যান্সার (সেলার) হিসেবে আপনি:

  • বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়াম প্যাকেজসহ গিগ প্রকাশ করতে পারেন।
  • ক্রেডিট দিয়ে প্রজেক্টে প্রপোজাল পাঠাতে পারেন।
  • কাস্টম অফার পাঠাতে আর অর্ডার ডেলিভারি দিতে পারেন।
  • এজেন্সিতে যোগ দিতে বা এজেন্সি খুলতে, কনসালটেশন অফার করতে আর হ্যান্ডপিকড ব্যাজের জন্য আবেদন করতে পারেন।
  • আয় বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকে তুলতে পারেন।

শুধু বাংলাদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকরাই বিক্রি করতে পারেন। লাইভ হওয়ার আগে ফোন যাচাই, অন্তত একটি পোর্টফোলিও প্রজেক্ট আর আইডি যাচাই লাগবে। দেখুন কীভাবে সেলার হবেন।

3ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে বদলান

অ্যাকাউন্ট মেনু খুলুন (উপরে ডানে আপনার ছবি)। যে হিসেবে কাজ করছেন অংশে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট আর আপনি যে কোম্পানি বা এজেন্সিতে আছেন সেগুলো দেখবেন। হোম পেজ থেকেও ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার ভিউ বদলানো যায়।

যে হিসেবে কাজ করছেন মেনু

4কোম্পানি বা এজেন্সি থাকলে সেই পরিচয় বাছুন

কোনো কোম্পানিতে থাকলে পোস্ট বা পেমেন্টের আগে যে হিসেবে কাজ করছেন থেকে কোম্পানিটি বেছে নিন, যাতে ইনভয়েস আর ইতিহাস কোম্পানির নামে যায়। দেখুন কোম্পানির ভূমিকা ও অ্যাক্টিং অ্যাজ।

এরপর কী হবে

আপনি যে ভিউ বাছবেন সেই অনুযায়ী ড্যাশবোর্ড বদলাবে। ফ্রিল্যান্সার হোম-এ আয়, চলমান অর্ডার, ক্রেডিট আর প্রোফাইলের শক্তি দেখাবে। ক্লায়েন্ট হোম-এ নিরাপদে রাখা টাকা, খরচ, খোলা প্রজেক্ট আর চলমান অর্ডার দেখাবে।

সমস্যা হলে

  • "আপনার অ্যাকাউন্টে এখনো বিক্রি চালু হয়নি" দেখাচ্ছে। আপনার অ্যাকাউন্টের দেশ বাংলাদেশ নয়, অথবা আইডি যাচাই শেষ হয়নি। তবে হায়ার করতে পারবেন।
  • নিজের নামে পোস্ট করেছি, কিন্তু কোম্পানির নামে করার কথা ছিল। যে হিসেবে কাজ করছেন থেকে কোম্পানি বেছে আবার পোস্ট করুন। ব্যক্তিগত আর কোম্পানির টাকা কখনো মেশে না।
  • ফ্রিল্যান্সার ড্যাশবোর্ড খুঁজে পাচ্ছি না। অ্যাকাউন্ট মেনু থেকে সেলার হোন চেপে আগে সেটআপ শেষ করুন।

জেনে রাখুন

  • আপনার মূল তথ্য একবারই দিতে হয়। নাম, ছবি, শহর, টাইম জোন আর ভাষা একবার দিলে দুই দিকেই ব্যবহার হয়। দ্বিতীয়বার চাওয়া হয় না।
  • পরিচয় অনুযায়ী টাকা আলাদা থাকে। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আয় আর ক্লায়েন্ট বা কোম্পানি হিসেবে খরচ আলাদা দেখানো হয়, তাই হিসাব পরিষ্কার থাকে।
  • দুটোই করলে পাবলিক প্রোফাইলে দুটি ট্যাব থাকে: ফ্রিল্যান্সার অংশ (পরিচিতি, দক্ষতা, গিগ, পোর্টফোলিও, রিভিউ) আর ক্লায়েন্ট অংশ (খোলা প্রজেক্ট, ফ্রিল্যান্সারদের রিভিউ, যাচাইয়ের টিক)।
  • কোম্পানি আর এজেন্সি আলাদা পরিচয়। কোম্পানি ব্যবসা হিসেবে হায়ার করার জন্য; এজেন্সি টিম হিসেবে বিক্রির জন্য। দুটোতেই থাকতে পারেন, আর যে হিসেবে কাজ করছেন দিয়ে বদলান।
  • নোটিফিকেশনও পরিচয় অনুযায়ী। পরিচয় বদলালে বেল আর হোম পেজে শুধু সেই পরিচয়ের জিনিস দেখাবে।

Note: রিভিউ ভূমিকা অনুযায়ী আলাদা থাকে। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আর ক্লায়েন্ট হিসেবে পাওয়া রিভিউ আপনার পাবলিক প্রোফাইলের আলাদা ট্যাবে দেখায়।

Important: নিজের গিগ কেনা, নিজের এজেন্সি বা কোম্পানিকে হায়ার করা, বা নিজেকে অফার পাঠানো যায় না। বিল্যান্সার প্রতিটি স্ক্রিনে এটা আটকে দেয়।

প্রশ্নোত্তর

হায়ার আর বিক্রির জন্য কি দুটি অ্যাকাউন্ট লাগবে?

না। একটি বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টেই দুটো হয়। ফ্রিল্যান্সার আর ক্লায়েন্ট দিকের লগইন, ব্যালান্স আর নিরাপত্তা সেটিংস একই।

সাইন আপের পর লক্ষ্য বদলানো যায়?

হ্যাঁ। সাইন আপে যে লক্ষ্য বাছেন, তাতে শুধু প্রথমে কোন হোম পেজ দেখবেন তা ঠিক হয়। অ্যাকাউন্ট মেনু থেকে যেকোনো সময় বদলান।

ক্লায়েন্টদের কি আইডি যাচাই লাগে?

না। ক্লায়েন্টদের কখনো আইডি যাচাই লাগে না। শুধু সেলাররা পরিচয় যাচাই করেন, কারণ তাঁরা টাকা তোলেন।

নিজের গিগ কি নিজে কেনা যায়?

না। নিজের গিগ কেনা, নিজের এজেন্সি বা কোম্পানিকে হায়ার করা, বা নিজেকে অফার পাঠানো বিল্যান্সারে বন্ধ।

ক্লায়েন্টদের কি ক্রেডিট লাগে?

না। ক্রেডিট শুধু ফ্রিল্যান্সারদের জন্য, যেমন প্রপোজাল পাঠাতে। ক্লায়েন্টরা কাজের দাম BDT বা USD-তে দেন।

গাইডটি কি কাজে লেগেছে?

তবুও আটকে আছেন?

সত্যিকারের মানুষের সাথে কথা বলুন, বাংলা বা ইংরেজিতে।

লাইভ চ্যাট শিগগিরই চালু হবে। ততক্ষণ আমাদের মেসেজ পাঠান।