শুরু করুন
বিল্যান্সার কী এবং কীভাবে কাজ করে?
বিল্যান্সার বাংলাদেশ ও বিশ্বের ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। আইডি-যাচাই করা ফ্রিল্যান্সার হায়ার করুন বা নিজের দক্ষতা বিক্রি করুন, নিরাপদে পেমেন্ট পান।
হালনাগাদ 2 অক্টোবর, 20266 মিনিটে পড়া যায়6টি ধাপ
- সবার জন্য
এই পেজে
বিল্যান্সার একটি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের ক্লায়েন্টরা আইডি-যাচাই করা বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার হায়ার করেন, আর বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা নিজের দক্ষতা বিক্রি করে নিরাপদে টাকা পান। আপনি তৈরি সার্ভিস (গিগ) কিনতে পারেন, প্রজেক্ট পোস্ট করে প্রপোজাল নিতে পারেন, বিশেষজ্ঞের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান কল বুক করতে পারেন, অথবা পুরো কাজটাই বিল্যান্সারের প্রজেক্ট ম্যানেজারকে দিয়ে করাতে পারেন। কাজ অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পেমেন্ট বিল্যান্সারের কাছে নিরাপদে থাকে।
শুরু করার আগে
- একটি ফ্রি বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট লাগবে। দেখুন কীভাবে অ্যাকাউন্ট খুলবেন।
- আগে কী করবেন ঠিক করুন: হায়ার, কাজ, নাকি দুটোই। একটি অ্যাকাউন্টেই সব করা যায়। দেখুন ক্লায়েন্ট নাকি ফ্রিল্যান্সার।
- সাইন আপের সময় আপনার অ্যাকাউন্টের দেশ একবারই ঠিক হয়, আর সেটাই আপনার মুদ্রা ঠিক করে। দেখুন অ্যাকাউন্টের দেশ ও মুদ্রা।
ধাপগুলো
1অ্যাকাউন্ট খুলুন
belancer.com-এ গিয়ে ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুন চাপুন। নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসওয়ার্ড আর দেশ দিন, তারপর ইমেইলে আসা 6 সংখ্যার কোড দিয়ে ইমেইল যাচাই করুন। চাইলে Google দিয়ে চালিয়ে যান বেছে নিতে পারেন।
2আপনার লক্ষ্য জানান
ইউজারনেম বেছে নেওয়ার পর বিল্যান্সার জানতে চাইবে কী করতে চান? বেছে নিন আমি কাজ করতে চাই অথবা আমি কাজ করাতে চাই। এতে শুধু ঠিক হয় প্রথমে কোন হোম পেজ দেখবেন। পরে যেকোনো সময় বদলাতে পারবেন।
3কাজ করাতে চাইলে
কাজ করানোর চারটি উপায় আছে:
- গিগ কিনুন। ফ্রিল্যান্সারের গিগ পেজ থেকে একটি প্যাকেজ (বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড বা প্রিমিয়াম) বেছে পেমেন্ট করুন। দেখুন কীভাবে গিগ কিনবেন।
- প্রজেক্ট পোস্ট করুন। কাজ আর বাজেট লিখুন, প্রপোজাল নিন, সেরা জনকে হায়ার করুন। দেখুন কীভাবে প্রজেক্ট পোস্ট করবেন।
- কনসালটেশন বুক করুন। যাচাই করা বিল্যান্সার কনসালট্যান্টের সঙ্গে ছোট ভিডিও কলের জন্য পেমেন্ট করুন। দেখুন কীভাবে কনসালটেশন বুক করবেন।
- বিল্যান্সারকে ম্যানেজ করতে দিন। কয়েক লাইনে বা ভয়েস মেসেজে কাজটা বলুন, একজন প্রজেক্ট ম্যানেজার আপনাকে ফোন করবেন। দেখুন ম্যানেজড প্রজেক্ট।
4কাজ করতে চাইলে
সেলার হোন চাপুন, সেটআপের পাঁচটি ধাপ শেষ করুন, ফোন আর আইডি যাচাই করুন, তারপর প্রথম গিগ বানান বা প্রজেক্টে প্রপোজাল পাঠান। দেখুন কীভাবে সেলার হবেন।
5কথা, পেমেন্ট আর কাজ সব বিল্যান্সারের ভেতরে
মেসেজ-এ কথা বলুন, কাস্টম অফার বা চুক্তিতে একমত হন, আর বিল্যান্সারের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন। টাকাটা সুরক্ষিত পেমেন্ট হিসেবে থাকে। ফ্রিল্যান্সার অর্ডার বা চুক্তির পেজে কাজ ডেলিভারি দেন, ক্লায়েন্ট অনুমোদন দেন বা পরিবর্তন চান।
6টাকা পান, রিভিউ দিন
কাজ অনুমোদন হলে ফ্রিল্যান্সারের আয় 14 দিন পেন্ডিং থাকে, তারপর উত্তোলনযোগ্য হয় এবং বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকে তোলা যায়। দুই পক্ষই রিভিউ দেন।
এরপর কী হবে
সেটআপ শেষ হলে আপনার হোম পেজে আপনার মনোযোগ দরকার অংশে দেখাবে এখন কোন কাজটা করতে হবে: পেমেন্ট, তথ্য পাঠানো, ডেলিভারি বা অনুমোদন। সেটা মেনে চললে কোনো ধাপ বাদ পড়বে না।
হোম পেজে বিল্যান্সার ব্যবহারের প্রতিটি পথের জন্য একটি করে টাইল আছে। একাডেমি ও অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের টাইল আপনার জন্য ওই মডিউল খোলা থাকলেই শুধু দেখা যায়, তাই বন্ধ পাতায় পৌঁছাবেন না।
সমস্যা হলে
- সাইন আপ বাটন খুঁজে পাচ্ছি না। ফোনে উপরের মেনু খুলুন। কম্পিউটারে উপরে ডান দিকে আছে।
- ভুল মুদ্রায় দাম দেখছি। সাইন ইন না করলে আপনার লোকেশন দেখে মুদ্রা আন্দাজ করা হয়। সাইন আপের পর আপনার অ্যাকাউন্টের দেশই মুদ্রা ঠিক করে, স্থায়ীভাবে।
- বাংলাদেশের বাইরে থাকি, কিন্তু বিক্রি করতে চাই। শুধু বাংলাদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকরাই বিক্রি করতে পারেন। তবে যেকোনো দেশ থেকে হায়ার করতে পারবেন।
জেনে রাখুন
- ফ্রিল্যান্সারদের কে যাচাই করে? বিক্রি বা টাকা তোলার আগে প্রত্যেক সেলারকে ফোন যাচাই আর আইডি যাচাই (এনআইডি, পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধন সনদ, সঙ্গে সেলফি) পার হতে হয়। অনেকে আমাদের ট্যালেন্ট টিমের বাড়তি যাচাইয়ের পর হ্যান্ডপিকড ব্যাজও পান।
- কোনো সমস্যা হলে কী হবে? প্রতিটি অর্ডার পেজে সমস্যা জানান আছে। সমস্যা খোলা থাকা অবস্থায় টাকা আটকে থাকে, আর দুই পক্ষ একমত না হলে বিল্যান্সারের একজন বিশেষজ্ঞ সিদ্ধান্ত দেন। দেখুন সমস্যা জানানো।
- মোবাইল অ্যাপ আছে? ফোনের ব্রাউজারেই বিল্যান্সারের সব কাজ চলে: মেসেজ, অফার, ডেলিভারি, অনুমোদন। চাইলে অ্যাপের মতো হোম স্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন।
- বিল্যান্সার কে চালায়? আপনি কোন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করছেন তা আপনার মুদ্রার ওপর নির্ভর করে, আর প্রতিটি নীতিমালা পেজ ও ইনভয়েসের নিচে তার নাম লেখা থাকে।
Tip: সব মেসেজ, ফাইল আর পেমেন্ট বিল্যান্সারের ভেতরেই রাখুন। চ্যাটে যোগাযোগের তথ্য লুকানো থাকে, আর শুধু বিল্যান্সারের মাধ্যমে করা পেমেন্টই সুরক্ষিত। দেখুন নিরাপদ থাকুন, প্রতারণা এড়ান।
Note: বিল্যান্সারে যোগ দেওয়া ফ্রি। কাজের পেমেন্ট হলেই শুধু ফি কাটা হয়, আর নিশ্চিত করার আগে সবসময় দেখানো হয়। দেখুন বিল্যান্সারের ফি।
প্রশ্নোত্তর
বিল্যান্সারে যোগ দিতে কি টাকা লাগে?
না। ক্লায়েন্ট ও ফ্রিল্যান্সার দুজনের জন্যই অ্যাকাউন্ট খোলা ফ্রি। কাজের পেমেন্ট হলে তবেই ফি কাটা হয়, আর পেমেন্ট বা গ্রহণের আগেই ফি দেখানো হয়।
বিল্যান্সারে কারা বিক্রি করতে পারেন?
যাঁরা বাংলাদেশি নাগরিক, বাংলাদেশে থাকেন এবং আইডি যাচাই পার হয়েছেন, তাঁরা সেলার হতে পারেন। ক্লায়েন্ট পৃথিবীর যেকোনো জায়গার মানুষ বা কোম্পানি হতে পারেন।
বিল্যান্সার আমার টাকা কীভাবে নিরাপদ রাখে?
ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করলে টাকাটা সুরক্ষিত পেমেন্ট হিসেবে বিল্যান্সারের কাছে থাকে। ক্লায়েন্ট কাজ অনুমোদন দিলে, অথবা রিভিউয়ের সময় শেষে অর্ডার নিজে থেকে সম্পন্ন হলে তবেই ফ্রিল্যান্সার টাকা পান।
একই অ্যাকাউন্ট দিয়ে কি কাজ করানো আর কাজ করা দুটোই যায়?
হ্যাঁ। একটি অ্যাকাউন্টেই হায়ার করা ও বিক্রি করা যায়। অ্যাকাউন্ট মেনু থেকে ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার ভিউ বদলাতে পারবেন।
বিল্যান্সারে কোন মুদ্রা চলে?
দুটি: বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টের জন্য টাকা (BDT) আর বাকি সবার জন্য ডলার (USD)। দাম বা পেমেন্ট কখনো রূপান্তর করা হয় না।
বিল্যান্সার কি বাংলায় ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ। পুরো সাইট, ইমেইল আর হেল্প সেন্টার বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই চলে। যেকোনো সময় ভাষা বদলাতে পারবেন।
গাইডটি কি কাজে লেগেছে?
সম্পর্কিত গাইড
- শুরু করুনক্লায়েন্ট নাকি ফ্রিল্যান্সার: কোন বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট লাগবে?একটি বিল্যান্সার অ্যাকাউন্টেই হায়ার করা ও কাজ করা যায়। ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার দিকের পার্থক্য আর কীভাবে বদলাবেন জানুন।
- শুরু করুনকীভাবে বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট খুলবেন (সাইন আপ)এক মিনিটে ফ্রিতে বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট খুলুন: নাম, মোবাইল, ইমেইল, পাসওয়ার্ড আর দেশ দিন, তারপর 6 সংখ্যার কোডে ইমেইল যাচাই করুন।
- পেমেন্ট ও বিল্যান্সার ব্যালান্সকাজ অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত বিল্যান্সার যেভাবে আপনার পেমেন্ট নিরাপদ রাখেবিল্যান্সারে পেমেন্ট করলে টাকা ফ্রিল্যান্সার পান না, নিরাপদে রাখা হয়। শুধু অনুমোদন দিলে, নির্দিষ্ট সময় পর নিজে থেকে, বা বিল্যান্সারের সিদ্ধান্তে ছাড়া হয়।
- শুরু করুনআমার বিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট টাকায় নাকি ডলারে? অ্যাকাউন্টের দেশ বুঝে নিনসাইন আপের দেশই আপনার মুদ্রা আর পেমেন্টের পদ্ধতি ঠিক করে: বাংলাদেশ হলে টাকা, বাকি সবাই ডলার। কিছুই কখনো রূপান্তর হয় না।
তবুও আটকে আছেন?
সত্যিকারের মানুষের সাথে কথা বলুন, বাংলা বা ইংরেজিতে।
লাইভ চ্যাট শিগগিরই চালু হবে। ততক্ষণ আমাদের মেসেজ পাঠান।